নোবেল ফাইনাল রেজাল্ট শুনে কেঁপে ওঠেন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ভারতের পশ্চিমবঙ্গের চ্যানেল জি বাংলা’র গানের রিয়েলিটি শো সারেগামাপা’র ফাইনালের ফলাফল নিয়ে দুই বাংলার মানুষের আগ্রহ ও কৌতূহলের শেষ নেই ৷ বাংলাদেশি প্রতিযোগী নোবেল জানান যে,সারেগামাপা’র গ্র্যান্ড ফিনালের শ্যুটিং এখনো ধারণ করা হয়নি। কিন্তু ওপার বাংলার তারকাদের ফেসবুক,ইন্সটাগ্রাম পেজ কিংবা টুইটারে কিছু ছবি পাওয়া যাচ্ছে! গ্র্যান্ড ফিনালেতে আসলে সেদিন কি ঘটেছিল তা ওপার বাংলার কিছু নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভারতীয় দর্শকের উদ্ধৃতি দিয়ে ঘটনাপ্রবাহ বিভিন্ন অনলাইন যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়।

সারেগামাপা এর গ্র্যাণ্ড ফিনালের অনুষ্ঠান বৃষ্টির কথা মাথায় রেখে ২৯শে জুন আয়োজন করা হয়েছিল। পশ্চিমবঙ্গের রাজারহাটে অবস্থিত বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে জি বাংলা’র গানের রিয়েলিটি শো সারেগামাপা’র ফাইনালের আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ সময়  দুপুর ৩.০০ টার সময় সবাইকে উপস্থিত থাকার কথা বলা হয়। এরপর একে একে সব আমন্ত্রিত অতিথি আসা সুরু হয়। বিকাল ৫ টায় সকল ফাইনালিস্টদের ফ্ল্যাশব্যাক মোমেন্ট এক নজরে বড় পর্দায় দেখানো হয়। এরপর ফিনালের মূল আনুষ্ঠানিকতা ৫.৩০ থেকে সুরু হয়। একে একে সব প্রতিযোগীর পারফরম্যান্স শেষে বরাবরের মত নোবেল কে ডাকা হয় সবার শেষে।

নোবেল আইয়ুব বাচ্চুর ‘সেই তুমি’ গানটি অনুপম রায়ের সাথে ডুয়েট করেন। এরপর অতুল প্রসাদ এর ‘আমি বাংলার গান গাই’ এই গানটি নোবেল তাঁর দরাজ কণ্ঠে পরিবেশ করেন। প্ল্যাকার্ড এবং মোবাইল ফ্ল্যাশলাইট জ্বালিয়ে দর্শকরা স্টেজ মাতিয়ে রাখেন। বলা হয়েছিল গান ভাল হলে গোল্ডেন গিটার বাটন প্রেস করা হবে কিন্তু এখানে কিছু করা হয় নাই। এরপরে বিচারকরা সকলের দেওয়া মার্কস খামে ভরে বাক্সে জমা দিচ্ছিলেন। এরমধ্যেই অনেকে কনভেনশন সেন্টার থেকে বাইরে বের হন রাতের খাবার গ্রহণের জন্য। কারণ ফাইনালের দ্বিতীয় রাউন্ডের পারফরম্যান্স এখনো বাকি।

ফাইনালের দ্বিতীয় রাউন্ডের পারফরম্যান্স শুরু হয় ১১.৪৫ মিনিট নাগাদ। এখানেও নোবেলকে পারফর্ম করার জন্য মঞ্চে ডাকা হয় সবার শেষে। নোবেল দর্শকদের উদ্দেশ্যে কিছু বলেন এবং ‘বাংলাদেশ’ গানটি উপস্থাপন করেন। এর মধ্যে স্টেজে করতালির জোরালো আওয়াজ পাওয়া যায়।

রাত তখন ২.৪০ মিনিট। সকল ফাইনালিস্টদের মঞ্চে ডাকা হয়। এবার ফলাফল ঘোষণার পালা। মঞ্চ থেকে বলা হয় এবারের সারেগামাপা এর ২য় রানার্সআপ হচ্ছেন প্রীতম। আর শুধু প্রীতমই নয় যৌথভাবে আরও একজন আর সে হচ্ছেন নোবেল। এই সময় সব দর্শক ফলাফল শুনে হতবাক। দর্শকরা হয়ত চেয়েছিল নোবেল আরও ভাল পজিসন পাওয়ার যোগ্যতা রাখে। নোবেল নিজেও আশা করেনি এই ফলাফল। গৌরব ও স্নিগ্ধজিৎ হয়েছে যেখানে ১ম রানার্সআপ এবং অঙ্কিতাকে চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করা হয়েছে।

যাইহোক এইসব বলে আর কি লাভ? ফলাফল যা হবার তা হয়েই গেছে। ফাইনাল প্রচারিত না হওয়া পর্যন্ত ফাইনালিস্ট দের কোন ধরনের বিবৃতি দেওয়া বারণ করে দিয়েছে জি-বাংলা কর্তৃপক্ষ। অঙ্কিতা ও স্নিগ্ধজিতের এই ফলাফলে বলিউডের সিঙ্গার সুখবিন্দর সিং এর যথেষ্ট প্রভাব ছিল যা সকলের চোখে পড়েছে। আর নোবেল এর রেজাল্টের সময় পুরো স্টেজ ফাকাঁ হয়ে গিয়েছিল। ২৮ শে জুলাই জি বাংলায় গ্র্যান্ড ফিনালের অনুষ্ঠান প্রচারিত হবে সন্ধ্যায় হয়ত দেখবেন নোবেল নোবেল বলে চিৎকারে ভেসে যাচ্ছে মঞ্চ এবং নোবেলও প্রাইজ নিতে আসছে! এখনকার এই আধুনিক যুগে সত্যিই এইসব এডিটিং করা যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *