মধুর যত গুণ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ পূর্বের দিন থেকে, মধু খাদ্য এবং সাধারণত রোমান্টিক খাদ্য হিসাবে বহুল আলোচিত। আগেকার মানুষেরা মধু খেয়ে কাজে যেতেন। মৌমাছি ফুল থেকে এবং প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে মধু সংগ্রহ করে থাকে। এই মধু বিভিন্ন ধরণের হয়ে থাকে। ভিন্ন স্বাদের এবং ভিন্ন রঙের মধু হয়ে থাকে। মধু সাদা, কালো, হালকা বেগুনি রঙের হয়ে থাকে।

মধুর কার্যকারিতা

মধু একটি জাদুকরী খাবার এবং এই মধু সর্বরোগের জন্য খাওয়া হয়। কণ্ঠ পরিষ্কার রাখতে, আলসার প্রতিরোধে, ঘুম আনতে, ডায়রিয়া সারাতে এমনি আরো অনেক কাজে মধু ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ওষুধ হিসেবে ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করতে মধু খুব কার্যকরী।

পুষ্টির পরিমাণ

মধু হচ্ছে ফ্যাটবিহীন, কোলেস্টেরোল বিহীন একটি খাদ্য। এতে তেমন প্রোটিন থাকে না। মধু শরীরের ৫ শতাংশ মিনারেল ও ভিটামিন এর ঘাটতি পূরণ করতে পারে। প্রতি এক শ’ গ্রাম মধুতে কার্বোহাইড্রেট থাকে ৭৯.৫ গ্রাম (শতকরা), প্রোটিন থাকে ০.৩ গ্রাম, লৌহ থাকে ০.৭ মি: গ্রাম।

ঔষধ হিসেবে মধু

দক্ষিণ আফ্রিকার চিকিৎসা গবেষকরা দেখিয়েছেন যে মধু বার্ন ও ক্ষত পরিষ্কার করতে ব্যবহার করা হয়। এটি সংক্রমণের বিপদকে হ্রাস করে এবং এমনকি এন্টিবায়োটিকেরও প্রয়োজন হয় না। মধু জীবাণু নষ্ট করতেও ব্যবহার করা হয়।

সাবধানতা

এক বছরের নিচে বাচ্চাদের মধু খেতে দিবেন না। বোটুলিজম নামক স্বাস্থ্য ঝুঁকি হতে পারে। এক বছরের উপরে বাচ্চাদের মধু খাওয়ানো যাবে কারণ এদের অন্ত্র অনেক শক্ত থাকে। মধু খাওয়ার পর অবশ্যই দাঁত পরিস্কার করতে হবে। ডায়াবেটিস রোগীদের মধু খাওয়া উচিত নয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *